গুম বন্ধের বিলকে ‘অপরাধীদের সুরক্ষার আইনি বন্দোবস্ত’ বলল রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৮ বিকাল
  • ৪২৫৩ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com.monirulbd.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
গুম প্রতিরোধ বিলকে ‘গুমকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার অপচেষ্টা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন। সংগঠনটির অভিযোগ, প্রস্তাবিত বিলে গুমের ঘটনায় স্বাধীন তদন্ত কাঠামোর অনুপস্থিতি রয়েছে এবং অভিযুক্ত বাহিনী বা সংস্থার হাতেই তদন্তের দায়িত্ব দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।

সোমবার এক বিবৃতিতে এ অভিযোগ করেন সংগঠনটির সভাপতি হাসনাত কাইয়ূম ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদার ভূঁইয়া। গুম প্রতিরোধ বিলে স্বাধীন তদন্ত কাঠামোর অনুপস্থিতি এবং অভিযুক্তদের দিয়ে তদন্তের উদ্যোগের প্রতিবাদে তারা এ বিবৃতি দেন।

বিবৃতিতে নেতারা বলেন, গুমের প্রত্যক্ষ ভুক্তভোগী হিসেবে তারা জানেন, এ অপরাধের ভয়াবহতা কতটা গভীর। রাষ্ট্র নিজেই যখন অপরাধী হয়, তখন অভিযুক্ত বাহিনী বা সংস্থার হাতে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের সঙ্গে চরম প্রতারণার শামিল।

তাদের দাবি, স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কাঠামোর যে জাতীয় দাবি ছিল, প্রস্তাবিত বিলে তা উপেক্ষা করা হয়েছে। বরং অপরাধীদের জবাবদিহির আওতায় না এনে তাদের দিয়েই তদন্তের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে গুম বন্ধের পরিবর্তে গুমের মতো অপরাধকে নির্বিঘ্নে পরিচালনা ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গুমের শিকার ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের আত্মত্যাগ এবং রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের পর কোনো আইন যদি অপরাধীদের সুরক্ষা দেয়, তা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন অবিলম্বে বিলটির বিতর্কিত ও ‘কালো ধারা’ সংশোধনের দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে সংগঠনটি একটি সম্পূর্ণ স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও কার্যকর গুম তদন্ত কমিশন গঠনের জন্য আইন পাসের জোর দাবি জানিয়েছে।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad