ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল—
দুঃখিত, এখানে ‘হকি’ হওয়ায় ফুটবল নয়, ‘আক্রমণাত্মক হকি’ হবে।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক হকি খেলতে থাকে বাংলাদেশ। একের পর এক আক্রমণে চীনের রক্ষণভাগকে চাপে রাখে তারা। নবম মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে অধিনায়ক শারিকা রিমনের গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় কোয়ার্টারেও আক্রমণের ধার ধরে রাখে বাংলাদেশের মেয়েরা। ১৯ মিনিটে আইরিন আক্তার রিয়ার ফিল্ড গোলে ব্যবধান ২-০ করেন। ২৬ মিনিটে কনা আক্তারের গোলে প্রথমার্ধেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ।
বিরতির পরও বাংলাদেশের দাপট অব্যাহত থাকে। ৩১ মিনিটে মোসাম্মত লিমার গোলে ব্যবধান ৪-০ হয়। দুই মিনিট পরই নিজের দ্বিতীয় গোল করে বাংলাদেশকে ৫-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন আইরিন রিয়া। ৪৮ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে চীনের জালে ষষ্ঠবার বল পাঠান মোসাম্মত লিমা।
শেষ পর্যন্ত ৬-০ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।
এই জয়ে চ্যালেঞ্জার্স গ্রুপে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা। সামনে অপেক্ষা করছে আরও কঠিন পরীক্ষা। পরবর্তী ম্যাচে এলিট গ্রুপের জাপানের মুখোমুখি হতে পারে বাংলাদেশ। ওই ম্যাচে জয় পেলে সেমিফাইনালে ওঠার পাশাপাশি অনূর্ধ্ব-২০ নারী বিশ্বকাপে খেলার সুযোগও তৈরি হবে।

প্রথম দর্পণ,স্পোর্টস ডেক্স