ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর নকশা চূড়ান্ত

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৩ রাত
  • ৩৮৬৭ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com.monirulbd.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
দেশের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা-চট্টগ্রাম রেল করিডোরে যাতায়াতের সময় ও দূরত্ব কমাতে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ জন্য ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন স্থাপনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিস্তারিত নকশা প্রণয়নের কাজ শেষ হয়েছে। প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর প্রকল্প বাস্তবায়নের বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ও সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

সংসদ সদস্যের প্রশ্ন ছিল, ঢাকা-চট্টগ্রামের মধ্যে যাতায়াতের সময় ও দূরত্ব কমাতে ইলেকট্রিক বা বুলেট ট্রেন চালুর কোনো পরিকল্পনা সরকারের আছে কি না এবং থাকলে তা কবে বাস্তবায়ন হবে।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডোর উন্নয়নে সরকারের তিন স্তরের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

অর্থায়ন পেলেই বাস্তবায়ন

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন স্থাপনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিস্তারিত নকশা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। তবে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়ার পরই এর কর্মপরিকল্পনা ও সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনা সম্ভব হবে। এতে ট্রেনের গড় গতি বাড়ার পাশাপাশি যাতায়াতের সময়ও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

দূরত্ব কমাতে ঢাকা-কুমিল্লা কর্ডলাইন

ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের দূরত্ব কমাতে ঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত সরাসরি কর্ডলাইন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এ প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিস্তারিত নকশা প্রণয়নের কাজ চলছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, কর্ডলাইন নির্মাণ করা হলে ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে রেলপথের দূরত্ব কমবে। একই সঙ্গে ট্রেনের গড় গতি বাড়বে এবং কম সময়ে দুই শহরের মধ্যে যাতায়াত করা সম্ভব হবে।

পুরো রুটে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত পুরো রেলপথকে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে রূপান্তরের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে বলে সংসদে জানান প্রধানমন্ত্রী।

এর আওতায় টঙ্গী-আখাউড়া এবং লাকসাম-চট্টগ্রাম অংশের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিস্তারিত নকশা প্রণয়নের কাজ শেষ হয়েছে। লাকসাম-চট্টগ্রাম ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন উন্নয়ন প্রকল্পের প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অন্যদিকে টঙ্গী-আখাউড়া অংশের প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রণয়নের কাজও শেষ পর্যায়ে।

সরকারের আশা, এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডোরে বাংলাদেশ রেলওয়ের যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা বহুগুণ বাড়বে।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad