বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, ডিএনসিসির মশক নিধন কার্যক্রমে ওষুধ ও যন্ত্রপাতি কেনায় অনিয়ম, মানহীন ও কার্যকারিতাহীন কীটনাশক ক্রয় এবং বিভিন্ন কর্মসূচির নামে সরকারি অর্থ অপচয় ও আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের তথ্য যাচাই করতেই ডিএনসিসিতে এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে দুদকের টিম সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় নথি ও তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে। সংগৃহীত তথ্য পর্যালোচনা করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
দুদক সূত্র আরও জানায়, ঠিকাদারি চক্র, সংশ্লিষ্ট ল্যাব কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের যোগসাজশে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে। ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মশক নিধন কার্যক্রমে একই ধরনের অভিযোগের তথ্য পাওয়া গেছে।
এর আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে (ডিএসসিসি) অভিযান চালিয়েছিল দুদক। ওই অভিযানে মশা নিধনে ভেজাল কীটনাশকের নামে কেরোসিন সরবরাহ এবং বাসাবাড়ির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অবৈধ দখলদারিত্ব ও চাঁদাবাজিসহ শত কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখা হয়। অভিযানে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথাও জানা যায়।
এদিকে সিলেট অঞ্চলে জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেডের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগেও অভিযান পরিচালনা করছে দুদক। গ্রাহকের লেজারে পরিশোধিত বিল লিপিবদ্ধ করার ক্ষেত্রে কারসাজির মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
তথ্যসূত্র: যুগান্তর, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক