শনিবার বিকেলে খুলনা-যশোর বাইপাস সড়কের মোস্তফার মোড়ে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে গুটুদিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার অভিযোগস্থানীয়রা জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতায় ডুমুরিয়া উপজেলার পাঁচটি খাল উদ্ধার ও খননের জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়। এর মধ্যে মোস্তফার মোড় থেকে রওশন প্রোপাইটারের শেষ মাথা পর্যন্ত এবং টুটুলনগর শ্মশানঘাট থেকে আরাফাত অভিমুখী ক্ষুদে খাল—এই দুটি খাল তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
তাদের দাবি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঁচটি খালের সম্ভাব্য ব্যয় জানতে চাইলে উপজেলা প্রশাসন ও সহকারী ভূমি কর্মকর্তা তিনটি খালের তালিকা পাঠান। এতে ওই দুটি খাল বাদ পড়ে।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, স্থানীয় আবাসন ব্যবসায়ীরা খাল দুটি ভরাট করে প্লট ও রাস্তা তৈরি করে অবৈধভাবে দখল করে রেখেছেন। একই সঙ্গে খালের ১০১৮ ও ১০২২ নম্বর দাগ ব্যক্তি মালিকানায় নামজারি করে দেওয়ারও অভিযোগ করেন তারা।
জলাবদ্ধতার আশঙ্কাস্থানীয়দের আশঙ্কা, খাল দুটি দ্রুত উদ্ধার ও পুনঃখনন করা না হলে বিস্তীর্ণ কৃষিজমিতে দীর্ঘমেয়াদি জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে পারে। এতে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শত শত পরিবার অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মানববন্ধন থেকে অবিলম্বে খাল দুটির অবৈধ দখল ও স্থাপনা উচ্ছেদ করে সরকারি তালিকায় অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে দ্রুত খননের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে এ বিষয়ে খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আলী আসগর লবীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন আন্দোলনকারীরা।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ১৩ নম্বর গুটুদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম মোড়ল, উপজেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব জি. এম. শাইকুল ইসলাম, ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি মাহবুবুর রহমান পিকুল, ১৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সোহরাব হোসেন মোল্যা, যুব বিষয়ক সম্পাদক কাজী আব্দুল হান্নান এবং যুবদল নেতা জুলফিকর আলী জুলু, ইসমাঈল হোসেন বাবু ও মেহেদি হাসান টুটুল।

প্রথম দর্পণ অনলাইন,ডেক্স