THE-এর প্রকাশিত র্যাংকিং অনুযায়ী, দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চীনের পেকিং বিশ্ববিদ্যালয়। তৃতীয় অবস্থানে সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুর (NUS)। চতুর্থ অবস্থানে যৌথভাবে রয়েছে সিঙ্গাপুরের নানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি (NTU) ও জাপানের দ্য ইউনিভার্সিটি অব টোকিও।
শীর্ষ ১০-এর ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে হংকং বিশ্ববিদ্যালয়। এরপর সপ্তম স্থানে চীনের ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়, অষ্টমে ঝেজিয়াং বিশ্ববিদ্যালয় এবং নবমে সাংহাই জিয়াও টং বিশ্ববিদ্যালয়। দশম অবস্থানে রয়েছে হংকংয়ের চাইনিজ ইউনিভার্সিটি অব হংকং।
শীর্ষ ১০-এর তালিকা১. সিনহুয়া বিশ্ববিদ্যালয় — চীন
২. পেকিং বিশ্ববিদ্যালয় — চীন
৩. ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুর — সিঙ্গাপুর
৪. নানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি — সিঙ্গাপুর (যৌথ)
৪. দ্য ইউনিভার্সিটি অব টোকিও — জাপান (যৌথ)
৬. হংকং বিশ্ববিদ্যালয় — হংকং
৭. ফুদান বিশ্ববিদ্যালয় — চীন
৮. ঝেজিয়াং বিশ্ববিদ্যালয় — চীন
৯. সাংহাই জিয়াও টং বিশ্ববিদ্যালয় — চীন
১০. চাইনিজ ইউনিভার্সিটি অব হংকং — হংকং।
THE-এর এশিয়া র্যাংকিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষাদান, গবেষণা পরিবেশ, গবেষণার মান, শিল্পখাতে প্রভাব এবং আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গিসহ বিভিন্ন সূচক বিবেচনা করা হয়। ২০২৬ সালের তালিকায় সিনহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক স্কোর ছিল ৯৩ দশমিক ৬, পেকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৩ দশমিক ১ এবং NUS-এর ৯১ দশমিক ১।
এদিকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রকাশিত THE World University Rankings 2027-এও এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান শক্তিশালী হয়েছে। বৈশ্বিক তালিকায় সিনহুয়া বিশ্ববিদ্যালয় ১১তম এবং পেকিং বিশ্ববিদ্যালয় ১৩তম অবস্থানে রয়েছে। ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুর রয়েছে ১৫তম স্থানে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক