প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র জানায়, দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা কাটিয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। নতুন নিয়মে ৩৬ হাজার ২৩৫টি শূন্য প্রধান শিক্ষক পদে সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
পদোন্নতিতে খালি হবে সহকারী শিক্ষকের পদপ্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির ফলে সমসংখ্যক সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য হবে। বিদ্যমান শূন্যপদের সঙ্গে এসব পদ যুক্ত হওয়ার পর সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য মোট শূন্যপদের সংখ্যা আরও বাড়বে।
কর্মকর্তারা বলছেন, প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি কার্যক্রম শেষ হওয়ার আগে সহকারী শিক্ষক পদের প্রকৃত শূন্যসংখ্যা চূড়ান্ত করা সম্ভব নয়। পদোন্নতি ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কার্যক্রম শেষ করে শূন্যপদের হিসাব চূড়ান্ত হওয়ার পরই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, নতুন শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বিষয়ে ইতোমধ্যে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সব প্রক্রিয়া ঠিকভাবে এগোলে আগামী বছরের শুরুতেই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হতে পারে।
২০২৫ সালের নিয়োগে নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪এর আগে ২০২৫ সালের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ৬১ জেলায় লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হন। পরে ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য নির্বাচিত করা হয়।
প্রতিবছর নিয়োগের পরিকল্পনাসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রতি বছর নির্দিষ্টসংখ্যক শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে সরকার। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৭ সালের শুরুতে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলে বিপুলসংখ্যক চাকরিপ্রার্থীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক