সোমবার (১২ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে চুয়েটে চলমান ছাত্র আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে এসব কথা বলেন সাদিক কায়েম।
৪৪ বিশ্ববিদ্যালয়ে দলীয় বিবেচনায় নিয়োগের অভিযোগবিবৃতিতে সাদিক কায়েম অভিযোগ করেন, গত আট মাসে বিএনপি সরকার দেশের ৪৪টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে দলীয় আনুগত্যকে প্রাধান্য দিয়েছে। তাঁর দাবি, এসব নিয়োগে যোগ্যতার চেয়ে রাজনৈতিক আনুগত্যকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
চুয়েটের উপাচার্যের ক্যাম্পাসে প্রবেশের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আপত্তি থাকা সত্ত্বেও নিয়োগ পাওয়া উপাচার্য পদে থাকার চেষ্টা করছেন। সকালে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সাধারণ শিক্ষক পরিচয়ে তিনি ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেছেন বলেও অভিযোগ করেন সাদিক কায়েম।
ছাত্ররাজনীতি নিয়ে সমালোচনাবিবৃতিতে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা করেন ডাকসুর ভিপি। তিনি অভিযোগ করেন, আগের সময়ে ছাত্রলীগ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে প্রভাব বিস্তার করত। বর্তমানে সেই জায়গায় ছাত্রদল প্রশাসনের সহযোগী হিসেবে ভূমিকা পালন করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সাদিক কায়েমের ভাষ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে দলীয় প্রভাব বাড়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাভাবিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। উপাচার্য পদকে লাভজনক ব্যবসায় পরিণত করার অভিযোগও তোলেন তিনি।
উপাচার্য অপসারণের দাবিবিবৃতির শেষাংশে চুয়েট শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানান সাদিক কায়েম। একই সঙ্গে বিতর্কিত উপাচার্যকে অবিলম্বে অপসারণের দাবি জানান তিনি।
তবে উপাচার্যের ক্যাম্পাসে প্রবেশ, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আপত্তি এবং নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে সাদিক কায়েমের উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বা উপাচার্যের বক্তব্য প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।

প্রথম দর্পণ,জাতীয় ডেস্ক