চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৭টি মামলার আসামি পিয়াল আহম্মেদ ওরফে পিয়াল মাহামুদ সাদ্দামকে (৩৪) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ২০৩টি নিষিদ্ধ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি গুদামে অভিযান চালিয়ে চাপাতি, কুড়াল, ছুরি, ছোরাসহ ছয় ধরনের দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে উপজেলার মিয়াপাড়া-ক্যানালপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মেহেদী শাহরিয়ারের দিকনির্দেশনায় আলমডাঙ্গা থানা-পুলিশের একটি বিশেষ দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
গুদামে মিলল ছয় ধরনের অস্ত্রপুলিশ জানায়, অভিযানের সময় স্থানীয় এক বাসিন্দার বাড়ির পেছনে ডোবা পুকুরের পাড় থেকে পিয়াল সাদ্দামকে আটক করা হয়। পরে তাঁর দেহ তল্লাশি করে ২০৩টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন বিকেল পৌনে ৬টার দিকে আলমডাঙ্গার গোবিন্দপুর মাঠপাড়া গ্রামে তাঁর নিজস্ব গুদামে তল্লাশি চালানো হয়। সেখান থেকে একটি লোহার চাপাতি, একটি দেশীয় লোহার কুড়াল, দুটি লোহার ছুরি, দুটি বড় লোহার ছোরা এবং একটি লম্বা লোহার রড উদ্ধার করা হয়।
চার বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিপুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পিয়াল আহম্মেদ সাদ্দামের বিরুদ্ধে আদালতে ২৬টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এ ছাড়া আলমডাঙ্গা থানার একটি মামলায় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাঁকে চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ রয়েছে। ওই সাজা পরোয়ানার ভিত্তিতে তিনি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে নতুন করে মামলা দায়েরসহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে অবৈধ মাদক নিয়ন্ত্রণ ও জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক