বিধবা নারীকে মারধরের অভিযোগ, ফের যুবদল থেকে বহিষ্কার সোহেল

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৮ দুপুর
  • ৩০৩৭ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com.monirulbd.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
বিধবা নারীকে মারধরের অভিযোগে নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোজাম্মেল হক সোহেলকে আবারও দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর প্রাথমিক সদস্যপদও প্রত্যাহার করেছে কেন্দ্রীয় যুবদল। এর আগে নিজের মা-বাবাকে মারধরের অভিযোগে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন তিনি। পরে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে দলে ফেরার তিন মাসের মাথায় নতুন অভিযোগে আবারও সাংগঠনিক শাস্তির মুখে পড়লেন এই নেতা।

মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় যুবদলের দপ্তরের দায়িত্বে থাকা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়ার সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। সংগঠনের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেন।

সংসদ সদস্যের কাছে বিধবা নারীর অভিযোগ

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে নেত্রকোনা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি আনোয়ারুল হক পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে বারহাট্টায় যান। এ সময় অর্চনা রানী দাস নামে এক বিধবা নারী সংসদ সদস্যের পা জড়িয়ে ধরে মোজাম্মেল হক সোহেলের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ করেন। এ সময় তাঁকে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়।

ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এর পরপরই সোহেলের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি সামনে আসে।

মা-বাবাকে মারধরের অভিযোগেও বহিষ্কার হয়েছিলেন

মোজাম্মেল হক সোহেল বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের তারা মিয়ার ছেলে। এর আগে গত ৪ জুলাই নিজের মা-বাবাকে মারধরের অভিযোগে তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।

পরে মা-বাবাকে সঙ্গে নিয়ে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে তদবিরের পর গত ৩০ জুলাই তাঁর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়। এরপর দলে ফিরে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়কের দায়িত্বে থাকা সোহেল নতুন করে বিধবা নারীকে মারধরের অভিযোগে বহিষ্কৃত হলেন।

তবে বিধবা নারীকে মারধরের অভিযোগের বিষয়ে সোহেলের বক্তব্য এবং ঘটনার বিস্তারিত তদন্তের তথ্য সরবরাহ করা প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad