বৃহস্পতিবার খুলনা ও বাগেরহাট যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

  • প্রথম দর্পণ,জাতীয় ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৮ দুপুর
  • ১৯৭৩ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com.monirulbd.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন। সফরে তিনি সুন্দরবন ও হিরণ পয়েন্ট পর্যবেক্ষণ, মোংলা বন্দরের জেটি এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করবেন। বুধবার দুপুরে বিএনপির মিডিয়া সেল এ তথ্য জানিয়েছে।

নির্বাচনের পর সরকারপ্রধানের এ সফর ঘিরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। সুন্দরবনের পর্যটন সম্ভাবনা, মোংলা বন্দরের বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘিরে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ পর্যালোচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী।

যেভাবে সাজানো হয়েছে সফরসূচি

সফরসূচি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকালে হেলিকপ্টারে ঢাকা থেকে রওনা হয়ে সুন্দরবন ও হিরণ পয়েন্ট পর্যবেক্ষণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করবেন তিনি। সেখান থেকে নৌপথে মোংলা নৌঘাঁটিতে পৌঁছাবেন।

মধ্যাহ্নবিরতির পর বিকেলে মোংলা বন্দরের জেটি ও বেজার প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনের কথা রয়েছে তাঁর। এ সময় বন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘিরে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সম্প্রসারণের সম্ভাবনা গুরুত্ব পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান ঘিরে প্রত্যাশা

সুন্দরবন বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ এবং প্রাকৃতিক সম্পদ ও পর্যটন সম্ভাবনায় সমৃদ্ধ। অন্যদিকে, মোংলা বন্দর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার। বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলে শিল্পকারখানা স্থাপনের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিকল্পিত উদ্যোগের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নিশ্চিত করা গেলে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগানো সম্ভব। তবে এসব সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ দিতে কার্যকর পরিকল্পনা ও তার বাস্তবায়ন গুরুত্বপূর্ণ।

বিমানবন্দর চালুর প্রত্যাশাও

প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে প্রতীক্ষিত খানজাহান আলী বিমানবন্দর চালু এবং উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়ন নিয়েও নতুন আশার কথা জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাঁদের প্রত্যাশা, সুন্দরবন, মোংলা বন্দর ও প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলকে কেন্দ্র করে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হলে বিনিয়োগ বাড়বে, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে গতি আসবে।

সফর উপলক্ষে সুন্দরবন, দাকোপ ও মোংলা বন্দর এলাকায় তিন স্তরের নিরাপত্তাবলয় গড়ে তোলা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad