অভিযুক্তরা হলেন—পাউবোর উচ্চমান সহকারী সোয়াইব আহমদ, অফিস সহকারী আবু বক্কর সিদ্দিক, কার্যসহকারী জাকির হোসেন ও ইশতিয়াক আহমেদ।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরে মাহমুদুল ইসলাম নিজ দপ্তরে অবস্থান করছিলেন। এ সময় ওই চার সহকর্মী তাঁর কক্ষে গিয়ে কথা-কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন। প্রায় দুই মাস আগে তাঁদের সংগঠনের এক কেন্দ্রীয় নেতাকে সংবর্ধনা দেওয়ার জন্য চাঁদা চাওয়া হয়েছিল। সেই চাঁদার টাকা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
একপর্যায়ে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র ও শক্ত বস্তু দিয়ে মাহমুদুল ইসলামের ওপর হামলা চালান। এতে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে এবং তিনি রক্তাক্ত জখম হন। পরে কার্যালয়ের অন্য কর্মকর্তারা তাঁকে উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।
পরে মাহমুদুল ইসলাম অভিযুক্ত চার সহকর্মীর বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তের পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত চার সহকর্মীর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক