দুই লাখ বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার খবর নাকচ করল মালয়েশিয়া

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৩ রাত
  • ২০৪৭ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com.monirulbd.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg

আগামী ছয় মাসে প্রায় দুই লাখ বাংলাদেশি কর্মী নেওয়া হবে—বাংলাদেশের এক প্রতিমন্ত্রীর এমন বক্তব্যকে আনুষ্ঠানিক অবস্থান নয় বলে জানিয়েছে মালয়েশিয়া।

মালয়েশিয়ার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির সরকারের মুখপাত্র ও যোগাযোগমন্ত্রী ফাহমি ফাদজিল এ কথা জানান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশি একজন প্রতিমন্ত্রী মালয়েশিয়ায় কর্মী নেওয়ার বিষয়ে যে দাবি করেছেন, তা বাংলাদেশ সরকারের আনুষ্ঠানিক কোনো অবস্থান নয়। এ বিষয়ে তিনি মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন বলেও জানান।

ফাহমি ফাদজিল বলেন, বাংলাদেশের ওই প্রতিমন্ত্রী কর্মী নেওয়ার বিষয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেটি তার নিজস্ব বক্তব্য। মানবসম্পদমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার পর তিনি এ বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছেন।

এর আগে মঙ্গলবার বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছিলেন, সেপ্টেম্বরের শেষ দিক থেকে পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হবে। বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার শুহাদা ওসমানের সঙ্গে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আব্দুল মঈন খানের সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ তথ্য জানান।

মিয়ানমারের শরণার্থী প্রত্যাবাসন নিয়েও বক্তব্য

এদিকে মিয়ানমার এখনো শরণার্থীদের প্রত্যাবাসনের জন্য অনিরাপদ—জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের এমন উদ্বেগেরও জবাব দিয়েছেন ফাহমি।

মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ হাসানের বরাত দিয়ে তিনি জানান, স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন কর্মসূচির প্রথম ধাপে ১ হাজার ৪৭৬ জন শরণার্থী একটি নথিতে স্বাক্ষর করে মিয়ানমারে স্বেচ্ছায় ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

ফাহমি জানান, মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের হেফাজতে থাকা মিয়ানমারের ১০ হাজারের বেশি শরণার্থীর মধ্য থেকে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যাচাই-বাছাই করে ৫ হাজার জনের একটি তালিকা তৈরি করে। পরে তালিকাটি মিয়ানমার দূতাবাসে পাঠানো হয়। সেখান থেকে মিয়ানমার সরকার ১ হাজার ৪৭৬ জনকে ফেরত নিতে সম্মতি দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বিশেষ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রত্যাবাসন করা শরণার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন। তাদের কোনো ক্ষতি হবে না এবং তারা মিয়ানমারে নিরাপদে থাকবেন বলে জানানো হয়েছে।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad