রোববার রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন ল্যাভরভ। সাক্ষাৎকারের একটি অংশ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল ভেস্টি টিভি প্রকাশ করেছে।
জার্মান সরকার সম্প্রতি লাইপজিগ বিমানবন্দরে বিস্ফোরক বহনকারী একটি ড্রোন ব্যবহারের ঘটনায় মস্কোকে দায়ী করে। বার্লিনের অভিযোগ, রাশিয়া ‘নিম্নপর্যায়ের এজেন্টদের’ মাধ্যমে পূর্ব জার্মানির কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ওই বিমানবন্দরে ‘হাইব্রিড হামলা’র চেষ্টা চালিয়েছে।
এই ঘটনার পর রাশিয়া ও জার্মানি একে অপরের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বন্ধ করে দেয়। পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়নের কয়েকটি দেশ রুশ কূটনীতিকদের তলব করে।
ল্যাভরভ বলেন, পরিস্থিতিকে তিনি ‘সত্যিকারের যুদ্ধের শুরুর মতো’ মনে করছেন। তিনি জার্মানির বন শহর থেকে রুশ কনস্যুলেট জেনারেল বহিষ্কার এবং বার্লিনে রুশ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বন্ধের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, ‘তারা আবার যুদ্ধ চায়।’
সাক্ষাৎকারে জার্মানির বিরুদ্ধে নাৎসিবাদের অভিযোগও তোলেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জার্মানি ইউক্রেনের অন্যতম প্রধান মিত্র। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাত হিসেবে বিবেচিত এই যুদ্ধ সাড়ে চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলছে। এর মধ্যেই জার্মানি ও রাশিয়ার মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

প্রথম দর্পণ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক