ইরান যুদ্ধে গোলাবারুদের ঘাটতিতে মার্কিন বাহিনী

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১৮ বিকাল
  • ২৫৭৪ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com.monirulbd.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
সাত মাসের অভিযানে ব্যয় ৩ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকার বেশি, শুধু গোলাবারুদেই খরচ ২ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা

ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযানের কারণে মার্কিন বাহিনীর কৌশলগত গোলাবারুদের মজুতে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। প্রয়োজনীয় গোলাবারুদের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে দ্রুত উৎপাদন বাড়ানোর প্রয়োজন হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে তা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের ইনস্পেক্টর জেনারেলের কার্যালয়।

মার্কিন কংগ্রেসে উপস্থাপিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনের বরাতে আনন্দবাজার জানিয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’তে যুক্তরাষ্ট্রের আনুমানিক ৩ হাজার ৩৪০ কোটি ডলার ব্যয় হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ৩ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকার বেশি। এর মধ্যে শুধু ব্যবহৃত গোলাবারুদের পেছনেই খরচ হয়েছে প্রায় ২ হাজার ২৩০ কোটি ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ব্যবহারের ফলে মার্কিন সেনাবাহিনীর কৌশলগত মজুতে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় অস্ত্র ও গোলাবারুদের উৎপাদন দ্রুত বাড়ানো জরুরি হলেও প্রতিরক্ষা শিল্পের বর্তমান সক্ষমতায় তা সহজ নয়।

ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান দীর্ঘায়িত হলে পেন্টাগনের ওপর চাপ আরও বাড়তে পারে বলেও প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন বাহিনীর গোলাবারুদের ঘাটতির খবর নাকচ করলেও কংগ্রেসে দেওয়া সরকারি প্রতিবেদনে এবার ঘাটতির বিষয়টি উঠে এসেছে।

ক্ষয়ক্ষতির চিত্র

ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানে মার্কিন সামরিক বহরের ক্ষয়ক্ষতির তথ্যও তুলে ধরা হয়েছে প্রতিবেদনে। এতে বলা হয়, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ জুনের মধ্যে চারটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে। এ ছাড়া একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ও সাতটি কেসি-১৩৫ ট্যাংকার বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রায় ৩০টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোনও ধ্বংস হয়েছে।

এর আগে সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, দূরপাল্লার গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ঘাটতি ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক কৌশলে প্রভাব ফেলেছে। মার্কিন বাহিনী তাদের মজুত থাকা থাড ইন্টারসেপ্টরের প্রায় ৮০ শতাংশ ব্যবহার করেছে বলেও ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

তথ্যসূত্র

আনন্দবাজার ডট কম—১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদন; মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের ইনস্পেক্টর জেনারেলের কংগ্রেসে উপস্থাপিত প্রতিবেদন এবং সিএনএনের পূর্ববর্তী প্রতিবেদন।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
Sidebar Ad