সংবাদ সম্মেলনে মিঠুনের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ফুটবলার কম্পটন দত্ত, মিহির বসু ও অমিত ভদ্র। তাঁরা বিভিন্ন জেলায় গিয়ে প্রতিভাবান ফুটবলার খুঁজে আনবেন বলে জানানো হয়।
মিঠুন বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই অ্যাকাডেমি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছিলেন তিনি। আগের তৃণমূল সরকারের সময়ে মাঠ না পাওয়ায় উদ্যোগটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, বর্তমান সরকার এ উদ্যোগে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁর সহযোগিতার প্রশংসা করে মিঠুন বলেন, সরকার তাঁদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার কথা জানিয়েছে।
জেলা থেকে বাছাই হবে ৬০ ফুটবলারঅ্যাকাডেমির কার্যক্রম সম্পর্কে মিঠুন জানান, সাবেক ও অভিজ্ঞ ফুটবলারদের মাধ্যমে বিভিন্ন জেলা থেকে খেলোয়াড় বাছাই করা হবে। মোট ৬০ জনকে নিয়ে অ্যাকাডেমির কার্যক্রম শুরু হবে। সেখানে গ্রামের পাশাপাশি শহরের প্রতিভাবান তরুণদেরও সুযোগ দেওয়া হবে। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে আদিবাসী ও পাহাড়ি এলাকার প্রতিভাবান ফুটবলারদের।
মিঠুনের লক্ষ্য, আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে নির্বাচিত খেলোয়াড়দের জুনিয়র পর্যায়ের ফুটবলের জন্য প্রস্তুত করে তোলা।
নির্দিষ্ট মাঠ এখনও চূড়ান্ত হয়নিঅ্যাকাডেমির নির্দিষ্ট স্থান এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে কলকাতার মধ্যেই এর অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে বলে জানান মিঠুন। সরকারের পক্ষ থেকে টেন্ডার ডেকে মাঠ হস্তান্তরের অপেক্ষায় রয়েছে কর্তৃপক্ষ। তিন-চারটি মাঠের মধ্যে একটি বেছে নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
মিঠুন বলেন, অ্যাকাডেমির স্থান নিয়ে প্রাথমিক পরিকল্পনা করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।
তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার ডট কম, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬।

প্রথম দর্পণ,বিনোদন ডেক্স