গ্রেপ্তার ব্যক্তি আওলাদ হোসাইন (৫১)। তিনি অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডে বসবাস করেন। নিহত নারী রেহানা পারভিনের লাশ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে পাওয়া যায়। আওলাদ ও রেহানা দুজনেরই বাড়ি ঢাকার নবাবগঞ্জ থানায়।
অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ ও অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশের তথ্যের বরাতে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম এ তথ্য জানিয়েছে।
তদন্ত প্রভাবিত করতে অর্থ পাঠানোর অভিযোগএএফপির অভিযোগ, রেহানা পারভিনের মৃত্যুর ঘটনায় বাংলাদেশে চলমান তদন্তে প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশ্যে আওলাদ পরিচিত কয়েকজনের মাধ্যমে একাধিক কিস্তিতে ৯০ হাজারের বেশি অস্ট্রেলীয় ডলার বাংলাদেশে পাঠান। এর একটি অংশ বাংলাদেশি পুলিশ কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
তবে এএফপি জানিয়েছে, ওই অর্থ কোনো পুলিশ কর্মকর্তার কাছে পৌঁছেছে কিংবা তদন্তে প্রভাব ফেলেছে—এমন কোনো প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
এএফপি কমান্ডার স্টিফেন জয় বলেন, বাংলাদেশি পুলিশের কাছ থেকে পাওয়া সহযোগিতার মাত্রায় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। চলমান তদন্তে বাংলাদেশের পুলিশের সহযোগিতায় তারা সন্তুষ্ট বলেও জানান তিনি।
বাংলাদেশেও রয়েছে তদন্তরেহানা পারভীনের মৃত্যুর ঘটনায় বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ায় পৃথক তদন্ত চলছে। বাংলাদেশি পুলিশ এরই মধ্যে আওলাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে বলে জানিয়েছে এবিসি নিউজ।
তবে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ কিংবা অস্ট্রেলিয়া—কোনো দেশেই আওলাদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়নি।
বর্তমানে আওলাদ হোসাইন ব্রিসবেন পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। মঙ্গলবার এএফপির কর্মকর্তারা তাকে গ্রেপ্তার করেন।
গ্রেপ্তারের পর গুডনা ও রেডব্যাংক প্লেইন্সের দুটি বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সিডনি ও ব্রিসবেনের বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালিয়ে অর্থ স্থানান্তরসংক্রান্ত নথিও জব্দ করেছেন তদন্তকারীরা।
বিদেশি কর্মকর্তাকে ঘুষের অভিযোগে এএফপির প্রথম মামলাএএফপি জানিয়েছে, ব্যক্তিগত সুবিধা পাওয়ার উদ্দেশ্যে বিদেশি সরকারি কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে এই প্রথম কোনো মামলা আদালতে তুলেছে সংস্থাটি।
অভিযোগ প্রমাণিত হলে আওলাদ হোসাইনের সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড হতে পারে।
এদিকে

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক