ভূমধ্যসাগরে ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রা, মিশরে উদ্ধার ১৬০ বাংলাদেশি

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৯ রাত
  • ২০০৭ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com.monirulbd.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
ইউরোপে যাওয়ার পথে গত এক সপ্তাহে মিশরের বিভিন্ন উপকূল থেকে অন্তত ১৬০ বাংলাদেশি নাগরিককে উদ্ধার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ঝুঁকিপূর্ণ রাবারের নৌযানে করে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার সময় তাদের উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে তারা মিশরের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হেফাজতে রয়েছেন।

মিশরে বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশিদের মধ্যে মাতরুহ উপকূল থেকে ৪৬ জন, পোর্ট সাইদ থেকে ৫৮ জন এবং দামিয়েত থেকে ৫৬ জন রয়েছেন। এসব অভিযানে বাংলাদেশিদের পাশাপাশি সুদান, মিশরসহ বিভিন্ন দেশের ইউরোপগামী অভিবাসনপ্রত্যাশীরাও উদ্ধার হয়েছেন।

পরিচয় যাচাইয়ের পর শুরু হয় প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া

দূতাবাস সূত্র জানায়, কোনো বাংলাদেশি নাগরিক ভূমধ্যসাগর থেকে উদ্ধারের খবর পাওয়ার পর প্রথমে তার পরিচয় ও নাগরিকত্ব যাচাই করা হয়। এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী আইনি ও কনস্যুলার সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি দেশে প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।

এ কাজে মিশরের পুলিশ ও কারা কর্তৃপক্ষ, ইমিগ্রেশন, আদালত, হাসপাতালসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও সমন্বয় করতে হচ্ছে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তাদের।

দূতাবাসের শ্রম উইংয়ের দায়িত্ব শুধু উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশিদের পরিচয় নিশ্চিত করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আইনি প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া এবং শেষ পর্যন্ত নিরাপদে দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য প্রতিটি ঘটনায় দীর্ঘ প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়।

বেড়েছে দূতাবাসের কাজের চাপ

পরপর কয়েকটি ঘটনায় বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি উদ্ধারের কারণে দূতাবাসের শ্রম উইংয়ের ওপর কাজের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে উদ্ধার হওয়া নাগরিকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা ও দ্রুত প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে মিশরের বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করে যাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

ভূমধ্যসাগরের উত্তাল সাগর, অনিরাপদ রাবারের নৌযান এবং অনিশ্চিত গন্তব্য—সব মিলিয়ে ইউরোপে যাওয়ার এ ধরনের যাত্রা অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জীবনকে চরম ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক বাংলাদেশি আটকা পড়া বা উদ্ধারের ঘটনায় নিরাপদ ও বৈধ অভিবাসনের গুরুত্ব আবারও সামনে এসেছে।

তথ্যসূত্র: মিশরে বাংলাদেশ দূতাবাস ও জাগোনিউজ২৪




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad