হাদি হত্যা মামলা: তদন্ত প্রতিবেদন ২০ বার পিছিয়েছে

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৬ দুপুর
  • ২৪৪০ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com.monirulbd.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg ছবি: সংগৃহীত
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলায় অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় আবারও পিছিয়েছে। আগামী ৩ নভেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত। এ নিয়ে মামলাটিতে অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় ২০ বার পিছিয়েছে।

রোববার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে মামলাটির অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্তকারী সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

যেভাবে হত্যা

ওসমান হাদি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও আহ্বায়ক ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি।

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরদিন গত বছরের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টন এলাকায় তাকে গুলি করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের তৎকালীন সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। ওসমান হাদি মারা যাওয়ার পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।

পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০ ডিসেম্বর মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা (হত্যা) সংযোজনের আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিক আজাদ।

ডিবির অভিযোগপত্র, পরে অধিকতর তদন্ত

হাদি হত্যা মামলার তদন্ত শেষে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গত ৬ জানুয়ারি ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ডিবির পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ।

এরপর গত ১৫ জানুয়ারি মামলার বাদী ওই অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে আদালতে নারাজি দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন। এরপর থেকে মামলাটির তদন্ত করছে সিআইডি।

ডিবির দাখিল করা অভিযোগপত্রে থাকা ১৭ আসামির মধ্যে ১১ জন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। বাকি ছয়জন পলাতক বলে মামলাসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

তথ্যসূত্র: আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্র ও মামলার নথি।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad