আমেনা খানম মেহেন্দীগঞ্জের একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা। তিনি ওই এলাকায় দুবাইপ্রবাসী শাহেদ উদ্দিন হাওলাদারের বাসার দোতলা ভাড়া নিয়ে একাই বসবাস করতেন।
বাড়ির মালিক শাহেদ উদ্দিনের স্ত্রী রিনা বেগম জানান, প্রায় এক বছর আগে আমেনা খানম তাঁর বাসার দোতলা ভাড়া নেন। এরপর থেকে তিনি একাই সেখানে থাকতেন। মাঝে মাঝে তাঁর বড় ছেলে ও বোনের ছেলে তাঁকে দেখতে আসতেন। দুই দিন আগেও তাঁর সঙ্গে দেখা হয়েছিল।
তিনি জানান, বুধবার বিকেলে আমেনার বোনের ছেলে তাঁকে দেখতে বাসায় গিয়ে পাননি। তখন ঘরটি তালাবদ্ধ ছিল। পরে রাতে অন্য ভাড়াটিয়ারা বাসা থেকে দুর্গন্ধ পাওয়ার বিষয়টি তাঁকে জানান। বিষয়টি তিনি তাঁর ছেলে রিফাতকে জানালে বৃহস্পতিবার ভোরে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে ঘরের তালা খোলা হয়। পরে পুলিশ ভেতর থেকে আমেনা খানমের হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার করে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার সুশান্ত সরকার বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক