শুক্রবার (৯ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে জুবায়ের বলেন, ডিএনসিসি প্রশাসকের বক্তব্যে একটি রাজনৈতিক দলের সেক্রেটারি জেনারেলের ব্যক্তিগত মালিকানায় ৭০০টি অটোরিকশা থাকার কথা বলা হয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ থেকে বক্তব্যটি মিয়া গোলাম পরওয়ারকে ইঙ্গিত করে দেওয়া হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়।
তিনি বলেন, দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে ডিএনসিসি প্রশাসকের কাছ থেকে জনগণ তথ্যনির্ভর, দায়িত্বশীল ও শালীন বক্তব্য প্রত্যাশা করে। কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার ব্যক্তিগত মালিকানা নিয়ে এমন গুরুতর অভিযোগ করার আগে সুনির্দিষ্ট ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা প্রয়োজন। প্রমাণ ছাড়া এ ধরনের মন্তব্য দায়িত্বশীল আচরণের পরিচায়ক নয় বলে তিনি দাবি করেন।
প্রমাণ উপস্থাপনের আহ্বানজুবায়ের বলেন, অটোরিকশা চলাচল, যানজট নিরসন, সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং চালকদের জীবিকার বিষয়গুলো জনস্বার্থ ও বাস্তবতার আলোকে বিবেচনা করা উচিত। এসব বিষয়ে কোনো রাজনৈতিক দলের বক্তব্যের বিরোধিতা করতে হলে যুক্তি, তথ্য ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপের মাধ্যমে তা করা প্রয়োজন; কোনো নেতার বিরুদ্ধে প্রমাণহীন অভিযোগ তুলে নয়।
বিবৃতিতে তিনি ডিএনসিসি প্রশাসককে তাঁর বক্তব্যের পক্ষে সুনির্দিষ্ট ও যাচাইযোগ্য প্রমাণ জনসমক্ষে উপস্থাপনের আহ্বান জানান। প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হলে বক্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশের দাবিও জানান তিনি।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক