রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন। এদিন মামলায় গ্রেপ্তার আট আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।
অব্যাহতির আবেদন খারিজআদালতের কার্যক্রমের শুরুতে আসামিপক্ষের অভিযোগ থেকে অব্যাহতির আবেদন খারিজ করা হয়। পরে উপস্থিত আসামিদের কাছে তাঁরা দোষ স্বীকার করবেন কি না, তা জানতে চান ট্রাইব্যুনাল। জবাবে আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন।
এরপর ২৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন আদালত।
গ্রেপ্তার আট আসামিমামলায় গ্রেপ্তার আট আসামি হলেন—ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা বিভাগের সাবেক অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মির্জা সালাহউদ্দিন, উত্তরা পূর্ব থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান, আজমপুর পুলিশ ফাঁড়ির সাবেক কনস্টেবল হোসেন আলী, উত্তরা পশ্চিম থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মনোয়ার ইসলাম চৌধুরী রবিন, যুবলীগ সভাপতি দেলোয়ার হোসেন রুবেল, আওয়ামী লীগ নেতা সোহেল রানা, ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি শাহ আলম এবং তুরাগ থানা এলাকার আওয়ামী লীগ কর্মী ইরফানুল হক গাজী।
পলাতক ১৮ আসামির মধ্যে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তারামামলার বাকি ১৮ আসামি পলাতক রয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা-১৮ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হাবিব হাসান, ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, উত্তরা বিভাগের সাবেক উপপুলিশ কমিশনার কাজী আশরাফুল আজীম, সাবেক অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মো. তোহিদুল ইসলাম, সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার সুমন কর, উত্তরা পশ্চিম থানার সাবেক ওসি বি এম ফরমান আলী এবং উত্তরা পূর্ব থানার সাবেক পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশনস) মাহমুদুল হাসান।
এ ছাড়া পলাতক আসামিদের তালিকায় সাবেক কনস্টেবল আবু ছায়েম, সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) খালেদ আনোয়ার ও সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. রোকনুজ্জামানের নাম রয়েছে।
তথ্যসূত্র:আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর কার্যক্রমসংক্রান্ত প্রতিবেদন।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক