সোমবার চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-১১-এর বিচারক নিষ্কৃতি হাগিদক এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে সাজা পরোয়ানার ভিত্তিতে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী ওমর ফুয়াদ জানান, মামলায় আটজন সাক্ষীর সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে হেলাল উদ্দিনকে হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তার স্ত্রী হোসনে আরা বেগমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন।
পারিবারিক কলহের জেরে হত্যামামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ৯ মে রাত ১টার দিকে চট্টগ্রাম নগরের বাটারী রোডের একটি কলোনিতে হেলাল উদ্দিনের সঙ্গে তার স্ত্রীর পারিবারিক কলহ হয়। একপর্যায়ে হোসনে আরা বেগম দেশীয় অস্ত্র দিয়ে স্বামীর মাথায় আঘাত করেন। এতে হেলাল উদ্দিনের মৃত্যু হয়। পরে ঘরের বাইরে তালা লাগিয়ে তিনি আত্মগোপন করেন।
ওই দিন দুপুরে খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে হেলাল উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করে। তার মুখ, ডান পা ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়।
২০১০ সালে শুরু হয় বিচারএ ঘটনায় কোতোয়ালি থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সাহাবুদ্দিন খান বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২০১০ সালের ১৪ মার্চ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে মামলার বিচার শুরু হয়।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০২৬ সালের ১২ অক্টোবর মামলাটির রায় ঘোষণা করা হলো।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক