স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচিগুলো পরিচালনা করেন।
৫৪৮ ছাত্রীর হাতে বাইসাইকেলরোববার সকাল ১১টায় শিবগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ৫৪৮ জন মেধাবী ছাত্রীর হাতে গোলাপি রঙের বাইসাইকেল তুলে দেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। এ সময় আরও ১ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থীর মধ্যে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের ছবি সংবলিত মগ বিতরণ করা হয়।
আয়োজকদের মতে, এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য ছাত্রীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াতের ভোগান্তি কমানো, নিয়মিত পড়াশোনায় উৎসাহ দেওয়া এবং নারীশিক্ষার প্রসার ঘটানো।
অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আজকের ছাত্রীরাই আগামীর ভবিষ্যৎ। মেয়েরা যাতে নিরাপদে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে পারে এবং পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে, সে জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি বাল্যবিবাহ ও ইভটিজিং প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
বিনা মূল্যে চক্ষুচিকিৎসা ও ছানি অপারেশনএকই দিন দুপুর ১২টায় শিবগঞ্জের আলিয়ারহাট রোকেয়া-ছাত্তার উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিনা মূল্যে চক্ষুচিকিৎসা ও ছানি অপারেশন ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।
আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দুই দিনে প্রায় ৪ হাজার মানুষকে এ চিকিৎসাসেবার আওতায় আনা হয়েছে। এর আগে প্রথম দিনে মোকামতলা উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নে প্রায় ২ হাজার মানুষকে চক্ষুচিকিৎসা দেওয়া হয়।
চক্ষুসেবা কার্যক্রমে প্রতিমন্ত্রী তাঁর নির্বাচনী এলাকার মানুষের চোখের সমস্যা পর্যায়ক্রমে দূর করার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান।
জিয়া পরিবারের মানবিক উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রীবাইসাইকেল বিতরণ অনুষ্ঠানে মীর শাহে আলম বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল, এতিমদের খাবার বিতরণ ও চিকিৎসাসেবার মতো মানবিক কর্মসূচি পালন করা হয়েছিল। এবারও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
চক্ষুচিকিৎসা কার্যক্রমে তিনি জিয়া পরিবারের জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরেন। এ সময় ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, বৃক্ষরোপণ, খাল খনন ও মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি জামায়াতের রাজনৈতিক নীতির সমালোচনা করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, প্রতিমন্ত্রীর সহধর্মিণী মীর লাবনী আকতার, রূপসী বিডি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মীর শাকরুল আলম সীমান্ত, মীর ফারিয়া তাবাসসুম, মীর সামারা সুনাতসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
অনুষ্ঠান শেষে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানসহ জিয়া পরিবারের সদস্যদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক