রামিসা হত্যা মামলা ; সোহেল-স্বপ্নার বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ, অভিযোগ গঠন শুনানি ১ জুন

  • মোঃ জাকির হোসাইন,সম্পাদক
  • আপলোড সময় : ২৪ মে ২০২৬, ১১:৪৫ রাত
  • ২৬৩১৯ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com.monirulbd.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg

রামিসা হত্যা মামলা ; সোহেল-স্বপ্নার বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ, অভিযোগ গঠন শুনানি ১ জুন


রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তার (৮)কে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে দাখিল করা অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন আদালত। একইসঙ্গে আগামী ১ জুন অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

রোববার (২৪ মে) বিকেলে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ পিটার গোমেজ।

এর আগে বিকেল ৪টার দিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, প্রধান আসামি সোহেল রানার বিরুদ্ধে সরাসরি ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। অন্যদিকে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলায় মোট ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার পর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হক মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালে বদলির আদেশ দেন।

শুনানির সময় দুই আসামিকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে আদালতে হাজির করা হলেও এজলাসে তোলা হয়নি।

এর আগে গত বুধবার (২০ মে) প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। একই দিনে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার এজাহার ও অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাসা থেকে বের হয়। অভিযোগ রয়েছে, আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজেদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যান। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে খুঁজতে গিয়ে ওই ফ্ল্যাটের দরজার সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান।

পরবর্তীতে কোনো সাড়া না পেয়ে স্বজন ও প্রতিবেশীরা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং একটি বালতির ভেতর থেকে বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করা হয়।

তদন্তে উঠে এসেছে, সোহেল রানা শিশুটিকে বাথরুমে আটকে রেখে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা করেন। পরে মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে মাথা বিচ্ছিন্নসহ বিভিন্নভাবে মরদেহ বিকৃত করা হয়।

ঘটনার পর স্থানীয়রা জড়ো হলে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান সোহেল রানা। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad