ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকা হাজারতম ম্যাচটি নিজেদের করে রাখল জাপান। দুর্দান্ত আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দিয়ে তিউনিসিয়াকে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছে এশিয়ার পরাশক্তি। এই জয়ের মধ্য দিয়ে একদিকে যেমন একাধিক রেকর্ড গড়েছে ‘সামুরাই ব্লু’রা, অন্যদিকে টানা দ্বিতীয় পরাজয়ে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়েছে তিউনিসিয়ার।
শনিবার মেক্সিকোর এস্তাদিও মন্টেরেইয়ে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই প্রতিপক্ষের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে জাপান। খেলার মাত্র চতুর্থ মিনিটে দাইচি কামাদার গোলে এগিয়ে যায় তারা। কেইতো নাকামুরার নিখুঁত ক্রস থেকে গোল করে বিশ্বকাপে জাপানের ইতিহাসে দ্রুততম গোলের নতুন রেকর্ড গড়েন কামাদা।
প্রথমার্ধের ৩১তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আয়াসে উয়েদা। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে দুর্দান্ত একক প্রচেষ্টায় দূরপাল্লার শটে তিউনিসিয়ার জালে বল জড়ান এই ফরোয়ার্ড। দুই গোলের স্বস্তিদায়ক লিড নিয়েই বিরতিতে যায় জাপান।
বিরতির পরও আক্রমণের ধার বজায় রাখে এশিয়ার প্রতিনিধিরা। ৬৯তম মিনিটে উয়েদার চমৎকার ফ্লিক থেকে বল পেয়ে জুনিয়া ইতো তৃতীয় গোল করেন। এরপর ৮৩তম মিনিটে হেড থেকে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের চতুর্থ গোলটি করেন উয়েদা। তার এই গোলেই বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের সবচেয়ে বড় জয়ের রেকর্ড গড়ে জাপান।
এই ম্যাচে চার গোল করে বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এক ম্যাচে চারবার প্রতিপক্ষের জাল খুঁজে পাওয়ার কীর্তি গড়েছে জাপান। দুই ম্যাচ শেষে চার পয়েন্ট নিয়ে নকআউট পর্বের পথে শক্ত অবস্থানে রয়েছে তারা। সমান পয়েন্ট থাকলেও উন্নত গোল ব্যবধানে গ্রুপের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে নেদারল্যান্ডস।
অন্যদিকে, প্রথম ম্যাচে সুইডেনের কাছে ৫-১ গোলে পরাজয়ের পর ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যাশা ছিল তিউনিসিয়ার। তবে নতুন কোচ হার্ভে রেনারের অধীনেও সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। টানা দ্বিতীয় হারে বিশ্বকাপের গ্রুপপর্ব থেকেই বিদায় নিতে হলো উত্তর আফ্রিকার দেশটিকে।

প্রথম দর্পণ,স্পোর্টস ডেক্স