রামগঞ্জে সড়ক সংস্কারে ধীরগতি: গর্তে ভরা সড়কে চরম দুর্ভোগ, ঝুঁকিতে হাজারো শিক্ষার্থী

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ২৩ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৫ দুপুর
  • ১১৮৮৪ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com.monirulbd.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ পৌরশহরের প্রাণকেন্দ্রে প্রধান বাণিজ্যিক সড়কের সংস্কারকাজ ধীরগতিতে চলায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন পৌরবাসী। সোনাপুর ফায়ার সার্ভিস থেকে রামগঞ্জ শিশু পার্ক পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সড়কজুড়ে অসংখ্য গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এরই মধ্যে সংস্কারকাজ শুরু হলেও ধীরগতির কারণে জনভোগান্তি আরও বেড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কে পানি জমে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ফলে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। সময়মতো সংস্কারকাজ শুরু না হওয়া এবং বৃষ্টির মধ্যেই কাজ চালিয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণেই সংস্কারকাজে দীর্ঘসূত্রতা দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ তাদের।

উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়েই প্রতিদিন হাসপাতাল, ব্যাংক, স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করেন হাজারো মানুষ।

বুধবার সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ছোট-বড় যানবাহনের পাশাপাশি অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ও ভ্যানচালকদের অনেকেই বিকল্প সড়ক ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে বিকল্প পথে তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন মুমূর্ষু রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সচালকরা।

সড়কটির পাশে রামগঞ্জ সরকারি কলেজ, রামগঞ্জ রাব্বানিয়া কামিল মাদ্রাসা, রামগঞ্জ মডেল কলেজ, রামগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়সহ ৬ থেকে ৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অবস্থিত। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৬ থেকে ৭ হাজার শিক্ষার্থী প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই সড়ক ব্যবহার করছে। পাশাপাশি সাধারণ পথচারী ও যানবাহন চালকরাও চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

লক্ষ্মীপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (ওয়ার্ক) মো. সাবের হোসেন জানান, ৮ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে প্রায় এক কিলোমিটার অংশের সংস্কারকাজ দ্রুত শেষ করার চেষ্টা চলছে। তবে সড়কটি অত্যন্ত ব্যস্ত হওয়ায় কাজ পরিচালনায় নানা ধরনের চাপ মোকাবিলা করতে হচ্ছে।

রামগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আমির হোসেন বলেন, ঠিকাদার সংকটের কারণে নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পের কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে বাজার এলাকার ৯১২ মিটার অংশের সংস্কারকাজ দ্রুতগতিতে চলছে। তবে সড়কটি অত্যন্ত ব্যস্ত হওয়া এবং টানা বৃষ্টির কারণে কাজের গতি কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এই অংশের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। এরপর পর্যায়ক্রমে সাড়ে ৮ কিলোমিটার সড়কের অবশিষ্ট অংশের সংস্কারকাজও সম্পন্ন করা হবে।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad