ম্যাচের ৪৪ মিনিটে সামিতের বাড়ানো বল থেকে গোল করে কসমসকে এগিয়ে দেন লামিন জাওনেহ। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে সার্জিও শ্যাভেজের গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় কসমস।
বিরতির পর আরও একটি গোল পায় স্বাগতিকরা। ৬৬ মিনিটে ফোর্ট ওয়েনের হয়ে রায়ান বেকার একটি গোল শোধ করেন। এর পাঁচ মিনিট পর কসমসের হয়ে ব্যবধান বাড়ানো গোলেও অবদান রাখেন সামিত।
ম্যাচে সামিত মোট ৩৮টি পাসের ৩১টি সফলভাবে সম্পন্ন করেন। প্রতিপক্ষের ফাইনাল থার্ডে তাঁর সাতটি পাসের সবকটিই সফল ছিল। পাঁচটি লং বলের মধ্যে চারটিও লক্ষ্যে পৌঁছায়।
মাত্র ৪৭ বার বল স্পর্শ করেও দুটি গোলের সুযোগ তৈরি করেন সামিত, যার একটি ছিল বড় সুযোগ। পারফরম্যান্সের মাধ্যমে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এই মিডফিল্ডার।

প্রথম দর্পণ,স্পোর্টস ডেক্স