এমিরেটস স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরুর মাত্র ৭৭ সেকেন্ডেই মরগান রজার্সের গোলে পিছিয়ে পড়ে আর্সেনাল। তবে দ্রুতই ঘুরে দাঁড়ায় মিকেল আরতেতার দল। ২৫তম মিনিটে কাই হাভার্টজ গোল করে সমতা ফেরান।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই এগিয়ে যায় আর্সেনাল। মার্টিন ওডেগার্ডের গোলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পর শেষ পর্যন্ত এই লিড ধরে রাখে স্বাগতিকরা। ম্যাচের শেষদিকে চেলসি আক্রমণের চাপ বাড়ালেও আর্সেনালের গোলরক্ষক ডেভিড রায়ার গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সেভে জয় নিশ্চিত করেন।
এ নিয়ে লিগে তিন ম্যাচে তিন জয় পেল আর্সেনাল। শতভাগ জয়ের রেকর্ড নিয়ে ৯ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে তারা। সমান তিন ম্যাচে জয় পাওয়া ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গে পয়েন্ট সমান হলেও গোল ব্যবধানে পিছিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে আর্সেনাল।
অন্যদিকে, এভারটনের মাঠে শুরু থেকেই কঠিন লড়াইয়ে পড়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর ৪৬তম মিনিটে ব্রায়ান এমবেউমোর গোলে এগিয়ে যায় সফরকারীরা।
৮৩তম মিনিটে টাইরিক জর্জ গোল করে এভারটনকে সমতায় ফেরান। তবে পাঁচ মিনিট পর, ৮৮তম মিনিটে বেঞ্জামিন সেসকোর হেডে আবারও এগিয়ে যায় ইউনাইটেড।
জয় যখন প্রায় নিশ্চিত মনে হচ্ছিল, তখনই নাটকীয়তা। যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে এভারটনের অভিষিক্ত আইন্সলি মেইটল্যান্ড-নাইলস দূরপাল্লার দুর্দান্ত শটে গোল করে স্বাগতিকদের সমতায় ফেরান। শেষ পর্যন্ত ২-২ গোলের ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় ইউনাইটেডকে।
তিন ম্যাচে একটি জয়, একটি হার ও একটি ড্রয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের ১১তম স্থানে রয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।

প্রথম দর্পণ,স্পোর্টস ডেক্স