ইমাম-মুয়াজ্জিন-পুরোহিতদের সম্মানী ও উৎসব ভাতা দেবে সরকার

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৩ দুপুর
  • ২৯৯০ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com.monirulbd.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg ছবি: সংগৃহীত।
দেশের মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধবিহার, গির্জাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য সম্মানী, উৎসব ভাতা ও কল্যাণ সহায়তার ব্যবস্থা করেছে সরকার। এ লক্ষ্যে ‘মসজিদ ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিবর্গের জন্য সম্মানী ও কল্যাণ সহায়তা প্রদান নীতিমালা ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

রোববার ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।

নীতিমালার আওতায় মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত সেবকেরা মাসিক সম্মানী পাবেন। পাশাপাশি ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে তাদের উৎসব ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন, ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার প্রসার, সামাজিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় বিভিন্ন উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তাদের এ ভূমিকা বিবেচনায় নিয়ে আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে নীতিমালাটি প্রণয়ন করা হয়েছে।

থাকবে দক্ষতা উন্নয়নের প্রশিক্ষণ

নীতিমালায় শুধু আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা রাখা হয়নি। উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও থাকবে। এর মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি বিকল্প আয়ের সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারের ২০২৬ সালের নির্বাচনি ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতির ধারাবাহিকতায় এ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।

সরকারের লক্ষ্য, দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের কল্যাণ নিশ্চিত করা। এর মাধ্যমে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সামাজিক মূল্যবোধ আরও সুদৃঢ় করার কথাও বলা হয়েছে।

মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম, মন্দিরের পুরোহিত এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের সেবকেরা ধর্মীয় শিক্ষা, নৈতিকতা ও সামাজিক সচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন নীতিমালার মাধ্যমে তাদের এ ভূমিকার প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতির পাশাপাশি আর্থিক সহায়তার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নীতিমালা বাস্তবায়িত হলে ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের আর্থিক অনিশ্চয়তা কমার পাশাপাশি তাদের সামাজিক নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে বলে মনে করছে সরকার।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad