অনুষ্ঠানে বক্তারা শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলের পাশাপাশি নৈতিকতা, আদর্শ ও দেশপ্রেমে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুজাহিদ বিল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন সংগঠনের জেলা সেক্রেটারি আবু আহমেদ। প্রধান অতিথি ছিলেন ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলী, জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য কর্নেল (অব.) ডা. জেহাদ খান, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা মোহাম্মদ আজিজুল হক, সাবেক নায়েবে আমির মুসাদ্দেক ভূইয়া এবং জামায়াতের নবীন সদস্য ও সাবেক এমপি মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান। এ ছাড়া ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাহিদুল ইসলাম বলেন, আজকের মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা ও আদর্শের আলোয় নিজেদের আলোকিত করার জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, ‘কখনো আমাদের রাজাকার বলা হয়েছে, কখনো বলা হয়েছে যুদ্ধাপরাধী। এখন নতুন একটা শব্দ বের হয়েছে, “গুপ্ত”। তোমাদের এখানে আসার আগেও এই শব্দটি শুনলাম।’ তিনি আরও বলেন, শিল্পকলা একাডেমির মতো স্থানে অনুষ্ঠান হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ তাদের ‘গুপ্ত’ বলে আখ্যায়িত করেন। অথচ একই ব্যক্তির সঙ্গে তারা টকশোতেও অংশ নেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত শিক্ষার্থীদের কয়েকজন নিজেদের অভিজ্ঞতা ও ভবিষ্যৎ স্বপ্নের কথা তুলে ধরেন। তারা বাবা-মা, শিক্ষক ও আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
পরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কোরআন তেলাওয়াত, হামদ-নাত, কবিতা আবৃত্তি, দেশাত্মবোধক গান ও দলীয় সংগীত পরিবেশিত হয়।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত শিক্ষার্থীদের অভিভাবক, অতিথি এবং ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক