মটোরোলা জানিয়েছে, চলতি বছরের শেষ নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে সিগনেচার ২৭ পাওয়া যাবে। তবে এর নির্দিষ্ট বিক্রয় তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি।
ক্যামেরায় বিশেষ গুরুত্বসিগনেচার ২৭-এর নকশায় রয়েছে পাতলা অ্যালুমিনিয়ামের বডি। পেছনের ক্যামেরাগুলো উঁচু একটি অংশে বসানো হয়েছে, যেটিকে মটোরোলা বলছে ‘ক্যামেরা প্লেন’। সেখানে চারটি ক্যামেরা আর্চ বা খিলানের মতো করে সাজানো হয়েছে।
ফোনটি প্যানটোন কোল স্মোক ও প্যানটোন ক্যাপুলেট অলিভ—এই দুই রঙে পাওয়া যাবে। মডেলভেদে পেছনের অংশে ভিন্ন ধরনের টেক্সচারও থাকবে। এর একটি সংস্করণে বোনা কাপড়ের মতো ফিনিশ ব্যবহার করা হয়েছে।
ক্যামেরা বিভাগে ফোনটির অন্যতম আকর্ষণ হলো ২০০ মেগাপিক্সেলের পেরিস্কোপ টেলিফটো ক্যামেরা। প্রধান ক্যামেরাটি ৫০ মেগাপিক্সেলের এবং এতে সনির লিটিয়া ৯১০ সেন্সর ব্যবহার করা হয়েছে।
সনির এই সেন্সরে ‘লফিক’ প্রযুক্তি রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এটি সর্বোচ্চ ১৭ স্টপ ডায়নামিক রেঞ্জ সমর্থন করে। এর ফলে ছবির উজ্জ্বল ও অন্ধকার—দুই ধরনের অংশের বিস্তারিত তথ্য ধরে রাখার সক্ষমতা বাড়তে পারে।
অডিওতে ব্যাং অ্যান্ড ওলুফসেনের প্রযুক্তিসিগনেচার ২৭-এর অডিও ব্যবস্থায় ব্যবহার করা হয়েছে ব্যাং অ্যান্ড ওলুফসেনের প্রযুক্তি। এর মাধ্যমে ফোনটিকে প্রিমিয়াম স্মার্টফোন হিসেবে বাজারজাত করার পরিকল্পনা করেছে মটোরোলা।
তবে ফোনটির সব স্পেসিফিকেশন এখনো প্রকাশ করা হয়নি। ডিসপ্লে, ব্যাটারি সক্ষমতা, চার্জিং গতি, র্যাম ও স্টোরেজের বিভিন্ন সংস্করণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যও জানায়নি প্রতিষ্ঠানটি।
সাত বছর অ্যান্ড্রয়েড আপডেটসিগনেচার ২৭-এর অন্যতম উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য দীর্ঘমেয়াদি সফটওয়্যার সমর্থন। মটোরোলা জানিয়েছে, ফোনটিতে সাত বছর অ্যান্ড্রয়েড আপডেট দেওয়া হবে।
আগের সিগনেচার মডেলের তুলনায় নতুন ফোনটির আরেকটি বড় পরিবর্তন হলো—এবার এটি যুক্তরাষ্ট্রের বাজারেও বিক্রি করা হবে। ফোল্ডেবল ফোনে গুরুত্ব দেওয়ার পর প্রচলিত প্রিমিয়াম স্মার্টফোনের বাজারে মটোরোলার নতুন করে জোর দেওয়ার অংশ হিসেবেই সিগনেচার ২৭কে দেখা হচ্ছে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক