স্থানীয় ও পরিবহন শ্রমিক সূত্রে জানা গেছে, রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার ফকিরপাড়ায় থ্রি-হুইলার ইজিবাইক ও পাখিভ্যানচালকদের সঙ্গে লোকাল বাসের শ্রমিকদের বাগ্বিতণ্ডা ও বিরোধের সূত্রপাত হয়। একপর্যায়ে ইজিবাইক ও পাখিভ্যানের চালকেরা একত্র হয়ে বাসশ্রমিকদের ওপর হামলা ও মারধর করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে ইজিবাইকচালকেরা মহাসড়কে ব্যারিকেড দিয়ে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা বাস চলাচল বন্ধ রাখেন।
এ ঘটনার পর বাসশ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে চুয়াডাঙ্গা মোটরযান শ্রমিক ইউনিয়ন সোমবার সকাল থেকে দূরপাল্লা ও লোকাল রুটে অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘটের ডাক দেয়।
ধর্মঘটের কারণে সকাল থেকে চুয়াডাঙ্গার পাঁচটি প্রধান রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে দূরদূরান্তের যাত্রীরা বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। অনেকে বিকল্প হিসেবে ইজিবাইক ও সিএনজিচালিত যানবাহনে গন্তব্যে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। এতে বাড়তি ভাড়া গুনতে হচ্ছে এবং সময়ও বেশি লাগছে।
বাস চলাচল বন্ধ থাকায় ভোগান্তির কথা জানিয়ে যাত্রী শফিকুর রহমান বলেন, বাস না চলায় ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকে যেতে হচ্ছে। এতে সময় ও খরচ—দুটিই বেশি লাগছে। হঠাৎ বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা আন্তঃজেলা বাস-মিনিবাস মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ বলেন, মহাসড়কে পরিবহন শ্রমিকদের ওপর হামলা ও গাড়ি আটকে রাখার প্রতিবাদে শ্রমিকেরা ধর্মঘট ডেকেছেন। মহাসড়কে ইজিবাইকের অবৈধ চলাচল ও এ ধরনের পরিস্থিতি মেনে নেওয়া যায় না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক