হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বেলা সোয়া ২টা থেকে রাত সোয়া ১১টা পর্যন্ত শিয়ালের কামড়ে আহত অন্তত ২১ জন চিকিৎসা নেন। আহতদের মধ্যে শিশু, তরুণ ও বয়স্ক ব্যক্তিরাও রয়েছেন।
বিভিন্ন এলাকার মানুষ আহতআহতদের মধ্যে আউশনারা ইউনিয়নের বেলচুঙ্গি গ্রামের লিয়াকত আলীর ছেলে রুবেল (৩৫) রয়েছেন। রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে তিনি শিয়ালের আক্রমণের শিকার হন। একই সময়ে পৌর শহরের চাড়ালজানী তেঁতুলতলা এলাকার মাহার ছেলে আরিফও শিয়ালের কামড়ে আহত হন।
এ ছাড়া বেলা ২টার দিকে জান্নাত নামের এক শিশু, সালমা (৪৫), মিরাজুল (১১), আবু সাঈদ (৩), ইদিলপুরের কাদের (৩৫), গোপিনাথপুরের শাহজাহান, চাড়ালজানীর আরজু, দামপাড়ার রাফিউল, টেঁকিপাড়ার মোতালেব, শিবরামবাড়ীর ইউসুফ (৪০), টেঁকিপাড়ার মালেক (৬৭), নয়াপাড়ার শাকিল (২৫), মাস্টারপাড়ার আল আমিন (২১) ও কাবেল (২৫) আহত হন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, সব মিলিয়ে আহতের সংখ্যা অন্তত ২১।
হাসপাতালে পর্যাপ্ত টিকা রয়েছে: চিকিৎসকউপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে কর্মরত আবু সাঈদ বলেন, শিয়ালের কামড়ে আহত ব্যক্তিরা একের পর এক হাসপাতালে আসছেন। তাঁদের চিকিৎসাসেবা দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।
মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফর রহমান আজাদ বলেন, প্রতিদিন বিড়াল, শিয়াল ও কুকুরের কামড়ে আহত অনেকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসছেন। এ সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। তবে হাসপাতালে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন রয়েছে এবং এ মুহূর্তে সংকটের আশঙ্কা নেই।
তিনি শিয়াল, কুকুরসহ অন্যান্য প্রাণীর আক্রমণ এড়িয়ে চলার পাশাপাশি এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকার পরামর্শ দেন।
একই এলাকায় স্বল্প সময়ে এত মানুষের শিয়ালের আক্রমণের শিকার হওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের উদ্বেগ বেড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি বন্যপ্রাণীর আক্রমণ থেকে সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় সচেতনতামূলক পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।
তথ্যসূত্র: উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে কর্মরত আবু সাঈদ এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফর রহমান আজাদের বক্তব্য,

মোঃ রায়হান চৌধুরী,(নিজস্ব প্রতিবেদক)