পার্বতীপুরের চার ট্রেনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম যাচ্ছে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায়

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৬ দুপুর
  • ২৫৫৪ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com.monirulbd.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg

রাজস্ব আয় বাড়ানো ও পরিচালন ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের ১১টি মেইল, কমিউটার ও লোকাল ট্রেনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে পার্বতীপুরকে কেন্দ্র করে চলাচলকারী চারটি ট্রেনের ভাড়া আদায়সহ বাণিজ্যিক কার্যক্রম বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালনার জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। ইতোমধ্যে চারটি ট্রেনের দরপত্র দাখিলের প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়েছে।


দরপত্রের আওতায় থাকা ট্রেনগুলো হলো—রমনা কমিউটার, রামসাগর মেইল, লালমনিরহাট কমিউটার ও বুড়িমারী কমিউটার। বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চল কার্যালয়ের ২০ আগস্টের এক চিঠিতে এসব ট্রেনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় দেওয়ার উদ্যোগের কথা জানানো হয়েছে।


রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, রমনা কমিউটার পার্বতীপুর-রমনা টাউন-কুড়িগ্রাম টাউন-রংপুর-পার্বতীপুর রুটে চলাচল করে। রামসাগর মেইলের রুট বোনারপাড়া-পার্বতীপুর-বোনারপাড়া। অন্যদিকে লালমনিরহাট ও বুড়িমারী কমিউটার পার্বতীপুর-লালমনিরহাট-বুড়িমারী-পার্বতীপুর রুটে চলাচল করে। উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে এসব ট্রেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।


পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের অতিরিক্ত প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক আনসার আলী বলেন, সব ট্রেনে কার্যকরভাবে টিকিট পরীক্ষা নিশ্চিত করার মতো পর্যাপ্ত জনবল নেই। রাজস্ব আয় বাড়ানো এবং যাত্রীসেবার মান উন্নত করার লক্ষ্যেই বাণিজ্যিক কার্যক্রম বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমাঞ্চলে বর্তমানে ৬২টি আন্তঃনগর, ৫৫টি মেইল ও কমিউটার এবং ১২টি লোকাল ট্রেন চলাচল করছে। এর মধ্যে ২৪টি মেইল, কমিউটার ও লোকাল ট্রেনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় দেওয়া হয়েছে। এসব ট্রেন থেকে মাসে প্রায় ১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা রাজস্ব আয় হচ্ছে বলে রেলওয়ের সূত্র জানিয়েছে।


বর্তমান উদ্যোগে চারটি ট্রেনের মূলত ভাড়া আদায়সহ বাণিজ্যিক কার্যক্রমের ব্যবস্থাপনা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হাতে দেওয়ার কথা রয়েছে। ট্রেন পরিচালনা ও রেলওয়ের অবকাঠামো ব্যবহারের অন্যান্য বিষয় চুক্তির শর্ত অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।


পার্বতীপুর রেলওয়ে জংশন উত্তরাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রেলকেন্দ্র। ফলে এ জংশনকে কেন্দ্র করে চলাচলকারী চারটি ট্রেনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় দেওয়ার উদ্যোগে যাত্রীদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এখন দরপত্র মূল্যায়ন, ঠিকাদার নির্বাচন ও চুক্তি সম্পাদনের পর কবে থেকে নতুন ব্যবস্থায় বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হবে, সেদিকেই নজর সংশ্লিষ্টদের।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad