শনিবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর রাজারবাগে আয়োজিত পুলিশ পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশের কেউ কেউ এখনো আওয়ামী লীগের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং নানা ধরনের তথ্য দিচ্ছেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, যারা দেশের মানুষকে হত্যা করেছে, তারা দেশের বাইরে থেকে মাঝেমধ্যে হুমকি দিচ্ছে। তারা দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার চেষ্টা করলে কঠোর হাতে তা মোকাবিলা করা হবে।
আওয়ামী লীগের সহযোগীদের আইনের আওতায় আনতে সক্ষম পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করার ঘোষণাও দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
আগামী সপ্তাহে সাইবার সিকিউরিটি ইউনিটসালাহউদ্দিন আহমদ জানান, আগামী সপ্তাহে সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠন করা হবে। মেট্রোপলিটন, বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে এ ইউনিটের শাখা থাকবে। থানা ও জেলা পর্যায়ের ইউনিটগুলোতে আধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হবে।
তিনি বলেন, হেডকোয়ার্টার ও বিভাগীয় পর্যায়ে বড় আকারের ফরেনসিক ল্যাবসহ প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত সহায়তার ব্যবস্থা থাকবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্য, সাইবার স্পেসকে কেন্দ্র করে সংঘটিত অপরাধ আধুনিক অপরাধপ্রবণতার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। বিশ্বের কোনো কোনো দেশে সাইবার ও স্ক্যামভিত্তিক অপরাধ মোট অপরাধের ৪৪ শতাংশ পর্যন্ত হয়ে থাকে। এ কারণে বাংলাদেশেও সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

প্রথম দর্পণ,জাতীয় ডেস্ক