তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচে, নিম্নাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৯ দুপুর
  • ৩৬৫২ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com.monirulbd.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg ছবি: সংগৃহীত
ভারী বর্ষণ ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। শনিবার সকালে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার মাত্র ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এ অবস্থায় জেলার তিস্তাপারের নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই দিনের টানা ভারী বৃষ্টি ও ভারতের উজানের ঢলে তিস্তার পানি সমতলে বাড়ছে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় লালমনিরহাটসহ উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় নদীর পানি সতর্কসীমায় বা তার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

জলকপাট সচল রাখা হয়েছে

তিস্তা ব্যারাজ কন্ট্রোল রুমের ইনচার্জ নুরুল ইসলাম জানান, নদীতে পানির প্রবাহ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যারাজের জলকপাটগুলো সচল রাখা হয়েছে।

লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী সুনিল কুমার বলেন, বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে তিস্তায় পানি বাড়ছে। শনিবার সকালে নদীর পানি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় পানি আরও বাড়তে পারে। এতে নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে।

তীরবর্তী মানুষের মধ্যে উদ্বেগ

আদিতমারী উপজেলার মহিষখোঁচা ইউনিয়নের কুটিরপার গ্রামের বাসিন্দা কোরবান আলী বলেন, চলতি বছর এখনো বড় ধরনের বন্যা হয়নি। তবে শুক্রবার রাত থেকে নদীতে পানি বেড়ে থইথই করছে। প্রতি বছর সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে তিস্তায় বড় বন্যা হওয়ায় তীরবর্তী মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

পানি আরও বাড়লে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের বসতবাড়ি, ফসলি জমি ও যোগাযোগব্যবস্থা সাময়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad