দুর্গাপূজা ন্যায়, শান্তি ও মানবকল্যাণের শিক্ষা দেয়: রাষ্ট্রপতি , সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৮ বিকাল
  • ২৯১৭ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com.monirulbd.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহাবস্থানের ঐতিহ্য অটুট রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, অন্যায়-অত্যাচার, অসততা ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো এবং এসবকে পরাজিত করাই দুর্গাপূজার মূল দর্শন।

রোববার (১৮ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গোৎসব ২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীর রমনা কালীমন্দির পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যে ঐতিহ্য রয়েছে, তা দেশের জন্য গর্বের বিষয়। বিশ্বজুড়ে সংঘাত, হানাহানি ও হিংসা-বিদ্বেষের মধ্যেও বাংলাদেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন করতে পারছেন। এটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহাবস্থানের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, দুর্গাপূজা অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এ উৎসব ন্যায়, শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবকল্যাণের শিক্ষা দেয়। বাংলাদেশের মানুষ অতীতেও অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে অশুভ শক্তিকে পরাজিত করেছে।

সম্প্রীতি নিয়ে অপপ্রচার বন্ধের আহ্বান

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিয়ে প্রায়ই অপব্যাখ্যা ও অপপ্রচার চালানো হয়। এ পরিস্থিতিতে সম্প্রীতি রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে দুর্গাপূজার সার্বিক সফলতা কামনা করেন এবং অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশগ্রহণকারীদের ধন্যবাদ জানান।

রমনা কালীমন্দিরের ইতিহাস স্মরণ

রমনা কালীমন্দিরের ইতিহাস তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯৭১ সালে মন্দিরটি ধ্বংস করার চেষ্টা হয়েছিল এবং পরবর্তী সময়ে ১৯৭৩ সালে এটি ধ্বংস করা হয়। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ২০০১ সালে বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের উদ্যোগে এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশনায় মন্দিরটি পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর থেকে মন্দিরটিকে পুরোনো ঐতিহ্যে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।

এ সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন রাষ্ট্রপতি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃগোষ্ঠীবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) বিজন কান্তি সরকার, রমনা মন্দিরের সভাপতি অর্পনা রায় দাস ও সাধারণ সম্পাদক মিল্টন বৈদ্য। মন্দিরের সদস্য সুভাষ চন্দ্র দাস রাষ্ট্রপতিকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন।

তথ্যসূত্র: বাসসের প্রতিবেদন, প্রকাশিত: ১৮ অক্টোবর ২০২৬; যুগান্তর অনলাইন।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad