দুপুরের পর থেকে লালদিঘি ময়দান ছাড়িয়ে নিউমার্কেট, হকার্স মার্কেট, কোতোয়ালি মোড়, কাজীর দেউড়ি, লাভলেইন, সিআরবি মোড়, টাইগারপাস ও আন্দরকিল্লা এলাকায় মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকেন। সন্ধ্যার দিকে ময়দানে আর তিল ধারণের জায়গা ছিল না।
কক্সবাজার, তিন পার্বত্য জেলা, চট্টগ্রামের ১৫টি উপজেলা ও মহানগরের ১৬টি থানা থেকে নেতাকর্মীরা বিভিন্ন মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে আসেন। ফেনী ও কুমিল্লা থেকেও নেতাকর্মীরা যোগ দেন। তাঁদের হাতে থাকা পোস্টার, প্ল্যাকার্ড ও ব্যানারে ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়।
সমাবেশস্থলে চট্টগ্রাম মহানগর, জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতারা পর্যায়ক্রমে বক্তব্য দিচ্ছেন।
দলীয় সূত্র জানায়, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির লক্ষ্যেই এ লংমার্চের আয়োজন করা হয়েছে। লংমার্চটি মিরসরাই অতিক্রম করে সীতাকুণ্ডের কাছাকাছি পৌঁছেছে। জামায়াত নেতারা জানিয়েছেন, সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে কেন্দ্রীয় নেতারা লালদিঘি ময়দানে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
সমাবেশে প্রধান অতিথি ও বিশেষ বক্তা হিসেবে জামায়াতের আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, এনসিপির আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম, দলটির সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, মাওলানা মামুনুল হকসহ এনসিপি, খেলাফত মজলিস ও এবি পার্টির কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
কেন্দ্রীয় নেতাদের বক্তব্যে পরবর্তী রাজনৈতিক কর্মসূচি ও বিভিন্ন বার্তা আসতে পারে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

প্রথম দর্পণ অনলাইন,ডেক্স