রোববার সকালে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের সঙ্গে সংযোগকারী গৌরনদী পৌরসভার জনগুরুত্বপূর্ণ হ্যালিপ্যাড সড়ক এবং বাটাজোর ইউনিয়নের শৌলকর সড়কের বিভিন্ন স্থানে এ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, প্রায় সোয়া কিলোমিটার দীর্ঘ সড়ক দুটির অধিকাংশ অংশের কার্পেটিং উঠে গেছে। সৃষ্টি হয়েছে ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত। বর্ষায় এসব গর্তে পানি ও কাদা জমে সড়ক দুটি অনেকটা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
সড়ক দুটির ওপর নির্ভরশীল প্রায় পাঁচটি গ্রামের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, পথচারী ও রোগী পরিবহনে সমস্যা হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়ক দুটির এমন বেহাল অবস্থা থাকলেও সংস্কারে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে রোববার সকালে স্থানীয়রা সড়কের কাদা ও খানাখন্দে ধানের চারা রোপণ করেন। বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় পথচারী মো. সামসুল হক বলেন, সংস্কারের অভাবে পৌরসভার সড়কটি এখন চলাচলের অনুপযোগী। ভাঙাচোরা সড়কের কারণে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানান তিনি।
শৌলকর সড়কের বিষয়ে বাটাজোর ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত গৌরনদী উপজেলা এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী আতিকুর রহমান মিয়া বলেন, সড়কটি সরেজমিন পরিদর্শন করে শিগগিরই সংস্কারের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হবে।
গৌরনদী পৌরসভার হ্যালিপ্যাড সড়ক সম্পর্কে পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুস সালেক বলেন, জনগুরুত্ব বিবেচনায় সড়কটি সংস্কারে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক