মঙ্গলবার রাজধানীর জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলূম, দিলু রোড মাদরাসা মিলনায়তনে সংগঠনের সাব-কমিটির বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সংগঠনের নির্বাহী সভাপতি ও সাব-কমিটির আহ্বায়ক মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
বৈঠকে ২ অক্টোবরের মহাসম্মেলন সফল করতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। খতমে নবুওয়তের আকিদাগত গুরুত্ব তুলে ধরে বিশেষ পুস্তিকা, পোস্টার ও লিফলেট প্রকাশ করে সারা দেশে বিতরণের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া আগামী ১৬ ও ১৭ অক্টোবর তেজগাঁও ইমাম খতীব উলামা পরিষদের উদ্যোগে অনুষ্ঠেয় ইসলামী মহাসম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে ‘আকিদায়ে খতমে নবুওয়ত’ বিষয়ে আলোচনা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ঢাকা মহানগরীর জোন কমিটিগুলো দ্রুত পূর্ণাঙ্গ ও সক্রিয় করতে পাঁচ সদস্যের একটি সাব-কমিটিও গঠন করা হয়েছে। এতে কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতী সালাহউদ্দিন, কেন্দ্রীয় সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতী আব্দুল কাইয়ুম কাসেমী, মুফতী গাজী ইয়াকুব উসমানী, কেন্দ্রীয় সহকারী প্রচার সম্পাদক মাওলানা আফসার মাহমুদ এবং ঢাকা মহানগর দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা এহতেশামুল হক সাখীকে রাখা হয়েছে।
বৈঠকে মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব বলেন, খতমে নবুওয়ত ঈমানের মূল ভিত্তি। সংগঠনের কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি বাস্তবায়নে আলেম-উলামা ও সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। সভা-সমাবেশের পাশাপাশি প্রান্তিক ও তৃণমূল পর্যায়ে দাওয়াতি কার্যক্রম জোরদারের কথাও বলেন তিনি।
সংগঠনের মহাসচিব ও সাব-কমিটির সমন্বয়ক মাওলানা মুহিউদ্দীন রাব্বানী বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম দেশে কাদিয়ানী সম্প্রদায়কে অমুসলিম ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশেও তাদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা করা উচিত বলে দাবি করেন তিনি।
সরকার ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি আসন্ন সংসদ অধিবেশনে এ বিষয়ে বিল উত্থাপনের দাবি জানান। আইনগতভাবে কাদিয়ানী সম্প্রদায়কে অমুসলিম ঘোষণা করা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।
বৈঠকে সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও মহানগর পর্যায়ের বিভিন্ন নেতা উপস্থিত ছিলেন।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক