উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রায়হানুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিএনপি ও জামায়াত পৃথকভাবে নৌকা বাইচের আয়োজন করায় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। উভয় পক্ষ প্রশাসনের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছে। পরবর্তী সময়ে সমঝোতা হলে নৌকা বাইচ আয়োজন করা হবে।
বিএনপির আয়োজিত নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার আহ্বায়ক ও সাবেক ইউপি সদস্য সেলিম রেজা বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকে ৭ থেকে ৯ সেপ্টেম্বর কালীগঞ্জ ঘাটে নৌকা বাইচের আয়োজন করা হয়েছিল। এতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল। তবে জামায়াত নেতা জহুরুল ইসলাম পেনু একই ঘাটে ৪ ও ৫ সেপ্টেম্বর নৌকা বাইচের আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেন। পরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আশঙ্কায় প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করে।
অন্যদিকে জামায়াত আয়োজিত নৌকা বাইচ উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও পঞ্চকোশী ইউনিয়ন জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম পেনু বলেন, তাঁদের পক্ষ থেকে ৪ ও ৫ সেপ্টেম্বর কালীগঞ্জ নৌকা ঘাটে প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি থাকায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারবেন না। এ বিষয়টি জানার পর বিএনপির পক্ষ থেকে তাঁদের প্রতিযোগিতা বন্ধের জন্য প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করা হয়। তাঁরাও পাল্টা অভিযোগ করেন। দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছে।
প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত কালীগঞ্জ ঘাট এলাকায় নৌকা বাইচসহ জনসমাগমমূলক কোনো কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে না।

মোঃ রায়হান চৌধুরী,(নিজস্ব প্রতিবেদক)