শনিবার বিকেলে ছয় দফা দাবিতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামমুখী লংমার্চের অংশ হিসেবে ফেনীর মহিপালে আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের কোনো পিসির বাড়ি নেই। যারা সামান্য কালো মেঘ দেখলেই দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়—তারা কারা, তা আপনারা সবাই চেনেন।’ তিনি বলেন, এখন যারা তাঁদের চোখ রাঙাচ্ছেন, গত সাড়ে ১৫ বছর তাঁদের ক্ষমতা কোথায় ছিল? কালো মেঘ নয়, বজ্রপাত এলেও ১১ দলীয় জোট জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে থাকবে।
সরকারের উদ্দেশে জামায়াত আমির বলেন, দ্রুত ছয় দফা দাবি মেনে নিয়ে সোজা পথে আসতে হবে। গণভোটের জনরায় মেনে নেওয়ার পাশাপাশি জুলাই গণহত্যা এবং পিলখানায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তার হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
দেশে নতুন করে ফ্যাসিবাদ গড়ে উঠেছে দাবি করে তিনি বলেন, সংশোধনের এখনও সুযোগ রয়েছে। সময় পার হয়ে গেলে আওয়ামী লীগের চেয়েও কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে।
লংমার্চ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আজকের কর্মসূচির মধ্য দিয়ে তাঁদের যাত্রা শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি বিভাগীয় শহরে লংমার্চ এবং পরে ঢাকায় মহাসমাবেশ করা হবে। তিনি ফেনী ও বৃহত্তর নোয়াখালীর মানুষকে প্রয়োজনে চিড়া-মুড়ি সঙ্গে নিয়ে ওই সমাবেশে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।
নেতাকর্মীদের চূড়ান্ত আন্দোলনের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, চূড়ান্ত ডাক এলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নামতে হবে এবং দাবি আদায় করেই ঘরে ফিরতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, জনতার বিজয় হবে।
জেলা জামায়াতের আমির মুফতি আবদুল হান্নানের সভাপতিত্বে পথসভায় আরও বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম, এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, এনসিপি নেতা আকতার হোসেন এমপি, নাসির উদ্দিন পাটওয়ারী ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ ১১ দলীয় ঐক্যের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক