ধর্ম মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৫১ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ হাজার ৩৬৩ জন নিবন্ধন করেছেন। ফলে নির্ধারিত কোটার বিপুলসংখ্যক আসন এখনো খালি রয়েছে।
হজযাত্রীদের প্রাথমিক নিবন্ধনের জন্য ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা জমা দিতে হচ্ছে। আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে প্যাকেজের বাকি টাকা পরিশোধ করে চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।
২০২৭ সালের হজের জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় দুটি প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। প্রথম প্যাকেজের খরচ ৬ লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা। এতে মক্কা ও মদিনায় হারাম শরিফের কাছাকাছি আবাসনের ব্যবস্থা থাকবে। দ্বিতীয় প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা। এ প্যাকেজে হারাম শরিফ থেকে তুলনামূলক দূরে আবাসনের ব্যবস্থা থাকবে।
বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) তিনটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ইকোনমি প্যাকেজের সর্বনিম্ন খরচ ৫ লাখ ১৩ হাজার ৫৪৫ টাকা, সাধারণ প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং বিশেষ প্যাকেজের সর্বোচ্চ খরচ ৭ লাখ ৯১ হাজার ৬০ টাকা।
এবার হজযাত্রীদের বিমানভাড়া ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। খরচ কমানো হলেও নিবন্ধনে প্রত্যাশিত সাড়া না পাওয়ায় নির্ধারিত হজ কোটা পূরণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

প্রথম দর্পণ অনলাইন,ডেক্স