তিনি বলেন, ‘জাতিকে ভুল পথে নিতে চাইলে হাত-পায়ে ধরে অনুরোধ করব। এরপরও যদি সঠিক পথে না আসেন, ঘাড় ধরতেও এক চুল পরিমাণ হাত কাঁপবে না।’ সরকারের যাত্রার শুরুতেই ছয় মিনিট অতিক্রমের আগেই জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শনিবার রাজধানীর শাপলা চত্বরে ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মামুনুল হক।
পবিত্র কোরআনের সূরা ইবরাহিমের ৪৫ নম্বর আয়াতের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, অতীতে যারা জুলুম করেছে, তাদের পরিণতি থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত। ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী লংমার্চের সূচনা পর্বে সরকারপ্রধানকে সতর্ক করে তিনি বলেন, সময় থাকতে সতর্ক না হলে নির্ধারিত পরিণতি থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে না।
সমাবেশ থেকে জানানো হয়, ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের পর পর্যায়ক্রমে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর, ৩১ অক্টোবর খুলনা-কুষ্টিয়া এবং ২১ নভেম্বর ট্রেনযোগে সিলেট মহানগর অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচি পালন করা হবে। সবশেষে ডিসেম্বর অথবা জানুয়ারিতে ঢাকায় মহাসমাবেশ করার কথা রয়েছে।
১১ দলীয় জোটের ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ করা।

প্রথম দর্পণ অনলাইন,ডেক্স